রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন গ্রেপ্তার; দেশীয় তৈরি মদ ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিনিধি:
রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) শাহমখদুম ও পবা থানা পুলিশ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
আরএমপি সূত্র জানায়, অভিযানে মোট ১২ লিটার দেশীয় তৈরি মদ এবং ১২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-মো: আসাদুল ইসলাম (৪১), মো: আহাদ আলী ওরফে স্বপন (৩৩) এবং আলমগীর কবির (৩১)।
আসাদুল ইসলাম শাহমখদুম থানার উত্তর নওদাপাড়া এলাকার মৃত একরামের ছেলে; আহাদ আলী ওরফে স্বপন শাহমখদুম থানার দক্ষিণ নওদাপাড়া এলাকার মৃত ইয়াসিনের ছেলে এবং আলমগীর কবির পবা থানার চক পারিলা পূর্বপাড়া গ্রামের মো: মাসুদ রানার ছেলে। সকলেই রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা।
আরএমপি জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ফারুক হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই মুক্তারুল ইসলাম ও তার টিম আমচত্তর মোড়ে দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে উত্তর নওদাপাড়া এলাকায় একটি মোটর গ্যারেজের পাশে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানরত আসাদুল ও আহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে দেহ তল্লাশি করে আসাদুলের হাতে থাকা প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ২৫টি বোতলে ১০ লিটার এবং আহাদের হাতে থাকা পলিব্যাগ থেকে ১০টি বোতলে ২ লিটারসহ সর্বমোট ১২ লিটার দেশীয় তৈরি মদ উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে একই দিন রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে পবা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মতিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই এ.টি. এম আশেকুল ইসলাম ও তার টিম হাটরামচন্দ্রপুর মোড়ে দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে চক পারিলা পূর্বপাড়া গ্রামে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজ বসতবাড়িতে অবস্থানরত আলমগীর কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলার দূর্গাপুর থানায় ১টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদকদ্রব্য নিজ হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
