ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীরির বেইজিং সফর বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মোড়
চীন ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় উপস্থাপন করছে। দীর্ঘ আট বছর পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই বেইজিং সফর বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কৌশলগত অংশীদারিত্ব: শি জিনপিং এবং কেয়ার স্টারমার একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং স্থিতিশীল 'ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব' (Comprehensive Strategic Partnership) গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বাস্তবসম্মত রাজনীতি (Pragmatism): স্টারমার স্পষ্ট করেছেন যে চীনের সাথে যোগাযোগ রাখা যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বার্থে এবং এটি বিশাল অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে।
২০২৫ সালে দুই দেশের পণ্য বাণিজ্য ১০৩.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা যুক্তরাজ্যের প্রায় ৩,৭০,০০০ কর্মসংস্থানকে সহায়তা করছে।সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রসমূহ উভয় নেতা প্রথাগত বাণিজ্যের বাইরেও বেশ কিছু আধুনিক ও গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন:
প্রযুক্তি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং যৌথ গবেষণা।পরিবেশ: নবায়নযোগ্য শক্তি, কম কার্বন প্রযুক্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা।অন্যান্য: স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, অর্থ ও জৈব বিজ্ঞান।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য 'অপ্রত্যাশিত নীতি' বা একতরফাবাদের প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় দেশগুলো এখন চীনের সাথে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতে চাইছে। স্টারমারের এই সফর সেই বৃহত্তর ইউরোপীয় প্রবণতারই অংশ, যেখানে আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স ও ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোও সম্পৃক্ত হচ্ছে।
